Cusslier birthday party golpo 2020

এই গল্পে একটি ছোট ছেলের বার্থডে পার্টির সম্বন্ধে লেখা রয়েছে। সেই পার্টিতে কি হোয়েছিল কেনো সেই পার্টি রাখা হোয়েছিলো সে সব জানতে আপনাদের এই গল্পটি পড়তে হবে। তাই গল্পটি পড়ুন ও সেই সব সমন্ধে জেনে যান।
গল্পের নাম :– চুসলীর বার্থডে পার্টি
গল্পের লেখক :– COLLECTED FROM YOUTUBE

চূচুর বাড়ির আশে পাশে অনেকগুলো বাড়ি ছিল আর সেখানে অনেক বাচ্ছা থাকতো তাদের মধ্যে একজনের নাম ছিল কাশলি একদিন সকালে কাশলির মা তাকে আদর করে ঘুম থেকে ওঠালেন সুপ্রভাত কাশলি সোনা এখন ঘুম থেকে ওঠার সময় হয়ে গেছে ওহ মা আজকে তো রবিবার আমি কি আর একটু বেশিক্ষণ ঘুমোতে পারি মা? নিশ্চয়ই পারো কাশলি কিন্তু তুমি কি চাও না ঘুম থেকে উঠে নতুন জামা পরতে? আজ হল তোমার জন্মদিন মনে নেই ওহ হ্যাঁ আজকে তো আমার জন্মদিন হে হে আমি তো এটা ভুলেই গেছিলাম শুভ জন্মদিন সোনা ধন্যবাদ মা তাহলে আজকে তুমি কি করতে চাও কাশলি? তুমি কি তোমার বন্ধুদের নিমন্ত্রন করতে চাও তোমার জন্মদিনের পার্টি তে? হ্যাঁ আমার বন্ধুদের কে আজ দুপুরের খাবারের নিমন্ত্রন করো খুব মজা হবে তাহলে একটা বড় পিজ্জা আনা যেতে পারে তার সাথে একটা বড় চকোলেট কেক এছাড়া আমি আমার বন্ধুদের জন্য আমার প্রিয় ব্রকলি সুপ টা বানাবো আজ তো তোমার দিন কাশলি সোনা তাই তোমার যা ইচ্ছে আমরা সেটাই করবো কাশলি নতুন জামাকাপড় পরে তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিলো কাশলির মা তার অনেক বন্ধুদের নেমন্তন্ন করেছিলেন তিনি অর্ডার দিলেন পিজ্জা জন্মদিনের চকোলেট কেক. ইতিমধ্যে কাশলি আপ্রন পরে তৈরি তার প্রিয় ব্রকলি সুপ বানানোর জন্য মাখন টাটকা ব্রকলি ক্রিম সুপ তৈরি হয়ে যাওয়ার পর কাশলি তাড়াতাড়ি তার জন্মদিনের পার্টির জন্য রেডি হয়ে গেলো আর ঠিক তখনই কলিং বেল বেজে উঠলো কাশলির সব বন্ধুরা উপহার নিয়ে হাজির শুভ জন্মদিন কাশলি কাশলির মা তাদের সবাইকে ডাকল কাশলির জন্মদিনের কেক কাটার জন্য চলে এসো সবাই কাশলি ওর জন্মদিনের কেক কাটার সময় আমরা গান গাইব একসাথে হ্যাপি বার্থডে টু ইউ হ্যাপি বার্থডে টু ইউ হ্যাপি বার্থডে ডিয়ার কাশলি হ্যাপি বার্থডে টু ইউ সবাইকে অনেক ধন্যবাদ তারপর কাশলির মা সবাইকে দুপুরের খাবার খেতে আসতে বলল চলে এসো বাচ্ছারা তোমাদের নিশ্চয়ই খিদে পেয়েছে এবার দুপুরের খাবার খাওয়া যাক কাশলি তার বানানো ব্রকলির সুপ সবাইকে খেতে বলল তো বন্ধুরা আমি আমার প্রিয় ব্রকলির সুপ টা সবার জন্য বানিয়েছি সবাই খেয়ে দেখো এটা খুব ভালো খেতে আমার খুব খিদে পেয়েছে কাশলি কিন্তু আমি এই সুপ টা খাবো না আমি শুধু পিজ্জা আর কেক খাবো এটা খেয়ে দেখো চাচা এটা দারুন খেতে আমি নিশ্চিত তোমার এটা ভালো লাগবে না কাশলি আমি শুধু পিজ্জা আর কেক খেতে চাই হটাত চাচার হাত লেগে সুপের বাটিটা পড়ে গেলো তার থেকে কিছুটা সুপ ও পড়ে গেলো এই দেখে কাশলি তো খুব রেগে গেলো দেখো তুমি এটা কি করলে চাচা তুমি এই সুপ টা ফেলে দিলে এবার আমি তোমাকে পিজ্জা বা কেক কোন কিছুই খেতে দেবো না। হাহ? আমি দুঃখিত কাশলি আমি এই সুপ টা ফেলতে চাইনি আমি পরিষ্কার করতে সাহায্য করবো না তোমায় করতে হবে না চুচু দেখল কাশলি কে চাচা ভীষণ বকাবকি করছে কাশলি ও ভুল করে ফেলে দিয়েছে তুমি এটা ঠিক করছ না তোমার কি মনে আছে গত সপ্তাহে কি হয়েছিলো? তুমি একটা ব্যাঙের সাথে খেলা করতে করতে তার পায়ে ব্যেথা দিয়ে ফেলেছিলে ওহ হ এখন আমার বাড়ি ফিরে যাওয়াই উচিৎ আমি এই ব্যাঙ টাকে ব্যাথা দিয়েছি হাহ? তুমি ব্যাঙ টাকে সাহায্য না করেই চলে গিয়েছিলে কিন্তু চাচা আর আমি ব্যাঙ টাকে নিয়ে গিয়ে ওর যত্ন করি তোমার এমন করা উচিৎ নয় কাশলি তুমি সাহায্য না করেই পালিয়ে গেলে কিন্তু আমরা তোমার এই ভুল টাকে মনে রাখিনি আর তোমার বার্থডে পার্টি তে এসেছি আমরা তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছিলাম তাই না? চাচা একটা ভুল করেছে এই বাটি টাকে ফেলে দিয়ে জায়গাটা পরিষ্কার করতে ও তোমাকে সাহায্য করতে চাইছে ও কিন্তু ঠিক কাজ ই করছে কাশলি আমার মনে হয় চাচার ভুল টাকে ভুলে গিয়ে তোমার ওকে ক্ষমা করে দেওয়া উচিৎ হম তুমি ঠিক ই বলেছ চুচু আমি খুবই দুঃখিত চাচা আর আমিও তোমার সুপ টা ফেলে দিয়েছি বলে খুবই দুঃখিত কাশলি আর চাচা হাত মেলাল তারপর কাশলি চাচা কে দিলো পিজ্জা আর তার জন্মদিনের কেকের দুটো বড় টুকরো এটা তোমার জন্য নিয়ে এসেছি চাচা আমি খুবই দুঃখিত আর আমাকে ক্ষমা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ বন্ধুত্ব তে সব সময় ক্ষমা করতে হয় আর ভুলে যেতে হয় এটা সব সময় মনে রেখো তারপর চাচা সবাইকে অবাক করে দিয়ে কাশলির কাছে এক বাটি ব্রকলির সুপ চাইলো কাশলি তুমি যে ব্রকলির সুপ টা বানিয়েছ সেটা আমি একটু খেতে চাই আমার মনে হয় ওটা খেতে খুব ভালো হবে আমি তোমাকে এক বাটি সুপ এক্ষুনি দিচ্ছি চাচা আনন্দ করে সেই ব্রকলি সুপ খেলো উমম এই সুপ টা খুব সুস্বাদু তুমি সত্যি খুব ভালো রান্না করো কাশলি ধন্যবাদ চাচা কাশলির জন্মদিনের পার্টি তে সবাই ভীষণ আনন্দ করলো আজ আমরা খুব মজা করলাম আর আজকে আমরা শিখলাম বন্ধুদের সব সময় ক্ষমা করে দিতে হয় এটা খুবই জরুরি চুচুর কথাই ঠিক বন্ধুত্বে সব সময় ভুলে যেতে হয় আর ক্ষমা করতে হয় Cussly খুব দুষ্টু একটা ছেলে। সে কোন কিছু কেনার জন্য খুব বায়না করতো, আর চিৎকার করতো। আর সে রোজ একটা নতুন খেলনা কিনে দেওয়ার জন্য তার মায়ের কাছে বায়না করতো। মা আমার ওই গাড়িটা চাই। Please ওটা আমায় কিনে দাও। আমি ওটা নিয়ে খেলতে চাই। আমার ওই গাড়িটাই চাই । Cussly র মা Cussly র এইরকম ব্যাবহারে খুবই সমস্যায় পড়ে যেতেন। বিশেষ করে তিনি যখন Cussly কে কোন দোকানে নিয়ে যেতেন। Cussly সেখান থেকে কিছু না কিনে ফিরতেই চাইতো না আমার ওই খেলনাটা চাই। ওটা কিনে না দিলে আমি বাড়িতে যাব না। Cussly, please এরকম করো না সোনা সবাই দেখছে তো তোমায় একদিন Cussly র মা ঠিক করলেন Cussly যতই কাঁদুক তিনি তাকে কিচ্ছু কিনে দেবেন না। আমার ওই খেলনা গাড়িটা চাই। ওটা আমায় কিনে না দিলে আমি এখান থেকে নড়বো না I’m sorry, Cussly. আমি কিছুতেই তোমাকে ওই toy car টা কিনে দেবো না। বাড়িতে তোমার অনেক খেলনা আছে যেগুলো নিয়ে তুমি খেলো না। কিন্তু এই গাড়িটা লাল রঙের। মা এটা আমাকে তোমায় কিনে দিতেই হবে। সঙ্গে ওই robot টাও কিনে দিতে হবে। I’m sorry, Cussly. আজ আমি তোমাকে কিচ্ছু কিনে দেবো না। Cussly র মা Cussly কে বাড়ি নিয়ে গেলেন। আর তাকে তার খেলনার showcase টা দেখালেন। দেখো তোমার কাছে কত খেলনা রয়েছে Cussly আর দেখো কত রকমের খেলনা রয়েছে। তুমি যেগুলো নিয়ে খেলোই না। আমার মনে হয় না তোমার আর কোন খেলনার দরকার আছে তুমি যত গুলো খেলনা নিয়ে খেলো তার থেকে অনেক বেশি রয়েছে। আর বাকি গুলো পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। হ্যাঁ? Cussly র মা আসে পাশের অন্য বাচ্ছাদের দেখিয়ে Cussly কে বললেন এই বাচ্ছা গুলোকে দেখো Cussly ওদের কাছে হয়তো কোন খেলনাই নেই। তুমি ওদেরকে বরং বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে কিছু বাড়তি খেলনা দিয়ে দিতে পারো। খুব ভালো idea মা মায়ের কথা মতো Cussly সেই বাচ্ছাদের তার বাড়িতে ডাকল বন্ধুরা, please আমার কাছ থেকে কিছু খেলনা নিয়ে যাও। আমার কাছে অনেক খেলনা আছে। আমি সেগুলো তোমাদের সঙ্গে share করতে চাই। সব বাচ্ছারা খুব খুশি হল। তারা কিছু খেলনা নিয়ে নিল আর Cussly কে ধন্যবাদ জানালো তোমার খেলনা গুলো আমাদের দেওয়ার জন্য Thank you Cussly আমরা জীবনো কখনো এতো খেলনা একসঙ্গে দেখিনি। তুমি সত্যি খুবি ভালো । হ্যাঁ Cussly. Thank you. চলো না তুমিও আমাদের সঙ্গে খেলতে এসো না । খুব মজা হবে। Cussly খুব খুশি হল। সে বুঝতে পারলো তার মা তাকে সঠিক কাজ করতেই বলেছেন। তার দেওয়া খেলনা গুলো পেয়ে অন্য বাচ্ছারা খুব খুশি হয়েছে। আর যে খেলনা গুলো পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছিলো সেগুলো নিয়ে এখন অন্য কেউ খেলতেও পারছে। 

DISCLAIMER

এই গল্পে লেখা চরিত্র, সময়, ঘটনা কোনোকিছুর সঙ্গেই বাস্তবের কোনো মিল নেই, তাই অযথা আপনারা সময় নষ্ট করে মিল বা কোনো ভুল খোঁজার চেষ্টা করবেন না। এই গল্পটি ইউটিউব থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। ও তারপর লিখিত আকারে রূপান্তর করা হয়েছে।

Final Word 

যা আপনাদের আগেই বলেছি যেহেতু এটি একটি রূপকথার গল্প তাই এর সব কিছুই কাল্পনিক।
আপনাদের যদি এই গল্পটি ভালো লাগে তাহলে এই পোষ্টটি সেয়ার করতে ভুলবেননা।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।